মুজিববর্ষের প্রথম উপহার ই-পাসপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী

0
519

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের উপর আস্থা রেখে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে সেবা করার সুযোগ দেয়ায় দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট চালু করতে সক্ষম হয়েছে। মুজিববর্ষের প্রথম উপহার ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট)।

আজ বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন সেবাকে যুগোপযোগী করতে ই-পাসপোর্ট প্রদান শুরু করলাম। ই-পাসপোর্টের সঙ্গে ই-গেটও সংযোজিত হচ্ছে। ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট সংযোজিত হলে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট সেবা সহজ, স্বাচ্ছন্দময় ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের হাতে ই-পাসপোর্ট পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে জাতির পিতার সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করলো।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সব উদ্যোগকে ডিজিটাল কার্যক্রমে রূপান্তরিত করেছে। দেশের অভ্যন্তরে ৬৪টি জেলায় ৬৯টি পাসপোর্ট অফিস, ৩৩টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, বিদেশস্থ ৭৫টি বাংলাদেশ মিশনের পাসপোর্ট ও ভিসা উইং-এর মাধ্যমে পাসপোর্ট, ভিসা ও ইমিগ্রেশন সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশেই প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছে। এ জন্য হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছয়টি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। তিনটি বিদেশ থেকে আগতরা ব্যবহার করবেন আর বাকি তিনটি যারা বিদেশে যাবেন তাদের জন্য।
এখন থেকে ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন সবাই। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে এই কার্যক্রম চলবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কেন্দ্র থেকেই ই-পাসপোর্ট সরবরাহ করা হবে।

জানা গেছে, প্রতিদিন পাসপোর্টের বই প্রয়োজন দুই লাখ। আমদানি হচ্ছে এক লাখ ৮০ হাজার। প্রতি মাসে ২০ হাজার বই সরবরাহে ঘাটতি থাকে। এভাবে গত কয়েক মাসে দুই লক্ষাধিক পাসপোর্ট সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমানে তিন লাখ পাসপোর্টের আবেদন ঝুলে আছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here