বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার প্রতিবদ্ধকতা এবং সুযোগ

0
211

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার প্রতিবদ্ধকতা এবং সুযোগ

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক গবেষণার পথে বাধা এবং সুযোগ শীর্ষক বিষয়ে বিশদ আলোচনা ও গবেষণা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় বেসরকারি ক্ষেত্রের অবদানের গুরুত্বপূর্ণ দিক  উন্মোচন করতে পারে। দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্রমশ উচ্চশিক্ষার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণত সরকার এর আর্থিক সাহায্য নির্ভর নয় কিন্তু সরকারি আইন মেনেই তারা পরিচালিত হয় । বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ১০৭ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। দেশে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে এবং বিশ্ববাজারে আধুনিক ও স্মার্ট জনশক্তি বিনির্মানে এই সকল বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ প্রভূত ভূমিকা পালন করে চল্লেও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ একটি শক্তিশালী ও যুগোপযোগী একাডেমিক গবেষণা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অসংখ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। পৃথিবীর বেশীরভাগ দেশেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বহু দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চেয়ে বেশি। এই গবেষণায় বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে একাডেমিক গবেষণায় বাধা এবং এই চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে ওঠার জন্য উপলব্ধ সুযোগগুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে একটি হল গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্দের অপর্যাপ্ততা ও প্রয়োজনীয় উপকরণের অপ্রতুলতা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীতে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি প্রায়শই সরকারি অনুদান বা সংশ্লিষ্ট উৎস থেকে প্রয়জনীয় তহবিল পেতে লড়াই করে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আর্থিক যোগানের প্রধান উৎস  শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি এবং যার উপরই এই সকল প্রতিষ্ঠান ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, যার ফলে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকেনা বা থাকলেও খুবই সীমিত। যার ফলে গবেষণা অবকাঠামো কিংবা অনুষদএর  উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্ধ বা বিনিয়োগ ব্যাহত হয়।

বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবেদিত গবেষণা কেন্দ্র বা ইনস্টিটিউটের যথেষ্ট অভাব থাকায়  শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণায় মনোনিবেশ করার যথেষ্ট সুযোগ পায় না যারফলে আন্তঃবিষয়ক গবেষণার প্রতি তাদের আগ্রহ থাকে না। মানসম্মত বিভিন্ন ই-জার্নাল বা গবেষনা সংশ্লিষ্ট সফটোয়্যার এর সাবস্ক্রিপশন খরচ অনেক ব্যায়বহূল হওয়ায় ওয়ার্ল্ডোয়াইড শিক্ষা ডাটাবেস, জার্নাল এবং লাইব্রেরী সমূহে এক্সেস প্রায়শই সীমিত। যার দরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আধুনিক ও যুগোপযোগী গবেষণা কাজে অংশগ্রহণ থেকে যথারীতি বঞ্চিত হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার উপর মনোযোগী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার সুবিধা এবং সরঞ্জাম এর যথেষ্ট ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গবেষণাধর্মী অনুষদ সমূহের সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্রমকর্তাদের উপর প্রায়শই  শিক্ষা বা কাজের অতিরিক্ত বোঝা চাপানো হয়, যার ফলে তাদের গবেষণা পরিচালনা করার মত পর্যাপ্ত সময় খুব কম থাকে। অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার চেয়ে শিক্ষকতার উপর বেশী জোর দেয় যার দরুন শিক্ষকগণ গবেষণার পরিবর্তে পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন এর উপর অতিরিক্ত গুরুত্বারোপ করে থাকেন। শিক্ষকগন প্রায়শই শিক্ষকতার পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রশাসনিক দায়িত্বে ব্যস্থ থাকেন।  এতে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য প্রকৃত সময়, মনযোগ ও দক্ষতা আরও হ্রাস পায়। তাছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অনুষদের গবেষণা পদ্ধতি, একাডেমিক প্রবন্ধ এবং অনুদান এর আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণেরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে। যার দরুন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ  গবেষণার গুরুত্ব অনুধাবন করতে ব্যাহত হন এবং ক্রমশ গবেষনার প্রতি আগ্রহ  হারিয়ে ফেলেন ।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে উচ্চ শিক্ষায় অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে যেমন এম ফিল বা পিএইচডি ডিগ্রীতে ভর্তি বা বিভিন্ন প্রকল্প নির্ভর গবেষণাতে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন জটিলতা প্রতীয়মান হয়,  অপরদিকে নিজ প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞ গবেষক এবং গবেষণা পরামর্শক এর অভাব এই প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে একটি শক্তিশালী গবেষণা সংস্কৃতির বিকাশকে সীমিত করে রাখে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে প্রায়শই গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ে পাঠদান নির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেশি বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এই মানসিকতা গবেষণাান্ধব পরিবেশ এর বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। গবেষণা কার্যক্রমে নিয়োজিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রনোদনা ও উৎসাহের জন্য সীমিত আকারে হলেও বিভিন্ন পুরষ্কারের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।  গবেষণার জন্য যথাযত স্বীকৃতি, পুরষ্কার বা প্রণোদনার অভাবে সম্ভাব্য গবেষকদের অনুপ্রেরণা ব্যাহত হয়। তাছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি প্রতিনিয়ত গবেষণা সম্পর্কিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। গবেষণা ও গবেষণা সংশ্লিষ্ট বরাদ্ধ তহবিল সৃষ্টি ও সহায়ক সিদ্ধান্তের অভাব প্রায়শই এই প্রতিষ্ঠানগুলির গবেষণা ক্ষমতার সম্প্রসারণ কঠিন করে তোলে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার জন্য উল্লেখযোগ্য সরকারি সহায়তা পেলেও, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ প্রায়শই গবেষণা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে পারে এমন সরকারি বরাদ্ধ ও  কর্মসূচি থেকে বরাবরই বঞ্চিত হয় ।  তবে সরকার উচ্চ শিক্ষায় গবেষণার গুরুত্ব অনুধাবন করতে ক্রমশ সচেষ্ট হচ্ছে। সীমিত আকারে এই সকল প্রতিষ্ঠানে গবেষণা অনুদান প্রদান এবং বেসরকারি খাতে গবেষনাধর্মী তৎপরতায় সহযোগিতা করা ও তাদেরকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে  সম্পৃক্ত করার কাজে উৎসাহিত করে চলছে ।

সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগীতা ও গবেষণার মানষিকতা তৈরী হলে গবেষণাকর্ম  অনেক উন্নত হতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশীপ প্রোগ্রামের মতো সরকারি উদ্যোগগুলি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সম্প্রসারিত করা গেলে এবং আরও অধীক অংকে গবেষণা অনুদান এবং সহায়তা করা গেলে গবেষণায় নতুন উদ্যম তৈরী হবে।  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গবেষনা তহবিল, অবকাঠামো এবং কর্ম দক্ষতা অর্জনের জন্য বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বকে কাজে লাগাতে পারে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যৌথ গবেষণা উদ্যোগ এবং সহযোগী প্রকল্পগুলি জ্ঞানএর পরিচলনকে উৎসাহিত করতে এবং গবেষণার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে।

নিবেদিতপ্রাণ গবেষণা কেন্দ্র এবং বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তাদের গবেষণার ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে। এই কেন্দ্রগুলি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে এবং শিক্ষার মাধ্যম ও ক্ষেত্র তৈরীতে মনোনিবেশ করবে , যার ফলে কার্যকর গবেষণার ফলাফল পাওয়া যাবে। গবেষণা ডাটাবেস এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উচ্চমানের গবেষণা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ও উপকরণের যোগান দিবে। আন্তর্জাতিক প্রকাশকদের সাথে যৌথ  জার্নাল প্রকাশ আন্তর্জাতিক জ্ঞানভান্ডারে প্রবেশাধিকার প্রদান করতে পারে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ল্যাব সুবিধা সমৃদ্ধ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গবেষণা ও নতুন আবিষ্কারের সুযোগ বাড়ানোর জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে যৌথ সংস্লিষ্টতা বাড়াতে পারে বা প্রয়োজনীয় আর্থিক বরাদ্ধের জন্য তাদের সহযোগিতা নিতে পারে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পেশাদার উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করে শিক্ষকদের গবেষণা পদ্ধতি প্রশিক্ষণ, গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ লেখার দক্ষতা এবং প্রকল্প ও গবেষণা প্রস্তাব লেখার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শিক্ষকদের গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধি করবে । ডক্টরেট এবং পোস্ট-ডক্টরেট গবেষণা ফেলোশীপের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি হলে দীর্ঘমেয়াদে গবেষণার ফলাফলকে শক্তিশালী করতে এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। এতে সরকারের মূখ্য ভূমিকা পালন করা উচিৎ ।

গবেষণার জন্য উপযুক্ত পুরষ্কার প্রদান, উচ্চ ও তাতপর্যপূর্ণ গবেষণার জন্য তহবিল এবং প্রকাশনা প্রণোদনার মতো গবেষণার উৎকর্ষতার জন্য প্রণোদনা ব্যবস্থা করা শিক্ষক ও গবেষকদের একাডেমিক গবেষণায় আরও বেশি নিযুক্ত হতে উৎসাহিত করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় এর বিভিন্ন বিভাগ থেকে স্বপ্রকাশিত জার্নাল এর নিয়মিত প্রকাশের সুযোগ তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশনার জন্য সহায়তা প্রদান শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরকে নিজেদের গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ প্রকাশ করতে এবং সংশ্লিষ্টদের অবদানকে অনুপ্রাণিত করবে। গবেষণা সহযোগিতার জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং ডিজিটাল সরঞ্জামগুলির সহজলভ্যতা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহকে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং যৌথ গবেষণা প্রকল্পে একসাথে কাজ করতে সহায়তা করবে । ই-শিক্ষা প্ল্যাটফর্মের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার গবেষণা পর্যায়ে প্রসারিত করলে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধিকারী অনলাইন কোর্স, সেমিনার এবং সম্মেলনগুলিতে অংশগ্রহন করতে সক্ষম হবে। বিভিন্ন বিভাগকে সম্পৃক্ত করে আন্তঃবিষয়ক গবেষণাকে উৎসাহিত করা জটিল সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধানের দিকে পরিচালিত করবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এমন সহযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে পারে যা গবেষকদের বিভিন্ন শাখায় কাজ করার সুযোগ করে দিবে এবং নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে। বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে একাডেমিক গবেষণার পরিবেশ বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন, যার মধ্যে রয়েছে আর্থিক সীমাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, শিক্ষকদের নন একাডেমিক কাজের চাপ এবং গবেষণা সম্পদের সীমিত বিকাশ । তবে, এই চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে ওঠার উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে। সরকার যদি বেসরকারি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, গবেষণা অবকাঠামোর সম্প্রসারণ, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং গবেষণা আউটপুটকে উৎসাহিত করে, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলি উচ্চমানের একাডেমিক গবেষণার জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারবে। তদুপরি, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তঃবিষয়ক গবেষণার প্রসার এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে আরও প্রাণবন্ত এবং উৎপাদনশীল গবেষণা সংস্কৃতি বিনির্মানে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। বাস্তব জগতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এমন ফলিত গবেষণা পরিচালনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলি স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে শক্তিশালী ও যৌথ সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারলে শিক্ষা এবং শিল্প উভয় ক্ষেত্রই লাভবান হবে। অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সুশাসন এর প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও অনিয়ম প্রতিরোধের প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে, সম্ভাবনাময় সুযোগ সমূহকে কাজে লাগিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ গবেষণায় তাদের ভূমিকা, অংশগ্রহণ ও বিকাশ বৃদ্ধি করতে পারে । এতেকরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ একাডেমিক ও নন-একাডেমিক গবেষনায় ও আবিষ্কারে প্রভুত অবদান রাখতে সক্ষম হবে।