করোনাভাইরাস: বাতিল হচ্ছে একের পর এক ফ্লাইট

0
667

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ থেকে বিমান পরিবহনের ক্ষেত্রে।

বাংলাদেশ থেকে একের পর এক ফ্লাইট বন্ধ করে দিচ্ছে বিমান সংস্থাগুলো। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ আক্রান্ত অন্যান্য দেশের সাথে ভ্রমণ যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।

সর্বশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। দেশটি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সব দেশের নাগরিকদের ভিসা দেয়া স্থগিত ঘোষণা করেছে। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত ও কাতার এ ধরণের পদক্ষেপ নেয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে পরিচালিত বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের সময়সূচী ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। অনিশ্চয়তা ভর করেছে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে।

উদ্বিগ্ন যাত্রীরা বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি এবং এয়ারলাইন্স অফিসে ভিড় করছেন।কোন ট্রানজিট যাত্রীকে সৌদি আরবে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না বলে জানানো হয় সৌদি দূতাবাস থেকে এবং পরামর্শ দেয়া হচ্ছে সৌদি এয়ারলাইন্সে ভ্রমণ করতে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় ইউরোপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারির ঘোষনা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

বাংলাদেশের অনেকে প্রতিবছর বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে চীন  বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে চীনে চারটি ফ্লাইট যাওয়া-আসা করে। বেসরকারি ট্যুর অপারেটররা বলছেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ার কারণে বহু বাংলাদেশি তাদের চীন ভ্রমণ বাতিল করেছেন।

বিদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশিদের জন্য আকর্ষণীয় জায়গা হয়ে উঠছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং চীন। দেশে এখন বহু বেসরকারি ট্যুর অপারেটর আছে যারা চীনে ট্যুর প্যাকেজ পরিচালনা করে। চীনে ভিসা আবেদনে সহায়তা থেকে শুরু করে হোটেল বুকিং এবং বিমানের টিকিটও বুকিং দেয় তারা। এখন চীন ছাড়িয়ে থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম ভ্রমণের পরিকল্পনাও বাতিল করছেন অনেকে।

যদি আরো বিস্তার ঘটে এবং এ পরিস্থিতি যদি দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটরদের ব্যবসা বন্ধ হবার উপক্রম হবে বলে তারা আশংকা করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here