চুয়েটে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দুই দিনব্যাপী তৃতীয়  আন্তর্জাতিক সম্মেলন

0
984

চট্টগ্রাম প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দুই দিনব্যাপী তৃতীয়  আন্তর্জাতিক সম্মেলন

১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ বুধবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট)  প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের দুই দিনব্যাপী তৃতীয় ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব ফিজিকস ফর সাসটেইনেবেল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (আইসিপিএসডিটি)’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন  উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম ।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ গ্রহণ করেছেন। এসব রূপকল্প বাস্তবায়নে পদার্থবিজ্ঞানীদের মৌলিক ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নে পদার্থ বিজ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য। বিজ্ঞানের আজকের উৎকর্ষের পেছনে পদার্থ  বিজ্ঞানের বিস্ময়কর ভূমিকা । বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু চতুর্থ শিল্পবিপ্লবকে বলা হচ্ছে ‘ফিউশন অব টেকনোলজিস’। যা ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল জগতের সিস্টেমকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে। এ বিপ্লব ইতিমধ্যে উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছে। এখানেও পদার্থ বিজ্ঞানের একটা ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থার সঙ্গে গ্র্যাজুয়েটদের পরিচিত হতে হবে। যা ক্লাসরুম ও একাডেমিক বইয়ের সঙ্গে এক্সপেমেরিমেন্টাল শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিবে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন উচ্চ শিক্ষায় উৎকর্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিল্প-শিক্ষা সম্পর্কোন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

সম্মেলন প্রধান বক্তা হিসেবে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. এম শমসের আলী ‘ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবেল ডেভলপমেন্ট’ শিরোনামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ড. এম. শমসের আলী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব এবং টেকসই উন্নয়ন সমান্তরালে এগিয়ে যাচ্ছে। একটা আরেকটার পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে আমাদের একইতালে এগিয়ে যেতে হলে তরুণ প্রজন্মের মেধাকে কাজে লাগাতে হবে।

এবারের সম্মেলনে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, ভারত, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, নাইজেরিয়া ও বাংলাদেশের প্রায় ২৫০ জন শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক, উদ্যোক্তা, প্রফেশনাল্স ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে ৩টি প্রধান বক্তব্য, ২টি আমন্ত্রিতদের কথা, ১০টি টেকনিক্যাল সেশন এবং একটি পোস্টার প্রেজেন্টেশন থাকছে। প্রাথমিক ভাবে গৃহীত ১৮৯টি অ্যাবস্ট্র্যাক্টের মধ্য থেকে ১৫৭টি গবেষণা প্রবন্ধ সম্মেলনে উপস্থাপনের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  ১৯ ডিসেম্বর  সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরে সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here