যুক্তরাষ্ট্রে পিপিই রফতানি করল বাংলাদেশ

0
556

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সঙ্কটে দেশের অর্থনীতিও যখন মন্দা , তখন রপ্তানির তালিকায় নতুন এক পণ্য যোগ করল বাংলাদেশ। এই মহামারীকালে চিকিৎসকসহ রোগ ঠেকানোর লড়াইয়ে যারা রয়েছেন সামনের সারিতে, তাদের সুরক্ষা পোশাক পিপিইর চাহিদা বেড়েছে বিশ্বজুড়ে; আর তা রপ্তানি শুরু করলো বাংলাদেশ।

দেশের টেক্সটাইল খাতের নেতৃত্বস্থানীয় ব্র্যান্ড বেক্সিমকো গতকাল সোমবার ২৫ মে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড হেইনসের কাছে ৬৫ লাখ পিপিই গাউনের একটি চালান পাঠানো হয়েছে। এই চালান পৌঁছাবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (ফেমা) কাছে।

সোমবার চালান হস্তান্তরের মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম  বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর. মিলার ও বেক্সিমকো ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।তারা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে বেক্সিমকোর তৈরি পিপিই’র ওই চালানটির বিদায় জানান।

পিপিই উৎপাদন এই সময়ে ঝিমিয়ে পড়া তৈরি পোশাক শিল্পকে চাঙা করে দেশের অর্থনীতিতে সচল রাখবে বলে আশাবাদী সকলে।“মাত্র দুই মাসের মধ্যে বিশ্বমানের উৎপাদন, প্রযুক্তিগত ও ডিজাইন দক্ষতা ও সক্ষমতা প্রয়োগ করে পিপিই তৈরি করতে শুরু করে বেক্সিমকো। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী অতিপ্রয়োজনীয় পিপিই-এর সরবরাহ বৃদ্ধিতে অবদান রাখে এই প্রতিষ্ঠান ।”

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এর আগে বলেছিলেন, “বিশ্বের অনেকগুলো সংস্থা বাংলাদেশকে পিপিই তৈরির সক্ষম দেশে পরিণত করতে এগিয়ে এসেছে। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো যখন একের পর এক ক্রয়াদেশ হারাচ্ছে। বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির তালিকায় পিপিই ছিল না। তবে চাহিদা দেখে অনেক কারখানা তা তৈরিতে মনোযোগী হয়। রুবানা হক বলেন,  প্রচলিত পোশাকের চেয়ে একটু ভিন্ন ধরনের। এর সুইং মেশিনগুলোও আলাদা। তাই প্রচলিত প্রডাকশন লাইনে পিপিই তৈরি সম্ভব হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশের অনেক কারখানা পিপিই তৈরির সক্ষমতা অর্জন করবে।”