নতুন মার্কিন প্রশাসনে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

0
457

শপথ নেয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ডনাল্ড ট্রাম্পের অনেক নীতিই উল্টে দিচ্ছেন ৷বাইডেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথাগত পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরবেন, তা বুঝিয়ে দিয়েছেনI নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের পরিবর্তিত পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ধারাবাহিকতার জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন কূটনীতিকেরা। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফিরে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র৷ আর তাতে বাংলাদেশ লাভবান হবে৷ কারণ বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি৷ মিয়ানমারের ব্যাপারেও শক্ত অবস্থানে যাচ্ছে নতুন মার্কিন প্রশাসন৷ রোহিঙ্গারা গণহত্যার শিকার হয়েছেন কিনা তা আবারও খতিয়ে দেখতে চান তারা৷ আর এটা  মিয়ানমারকে চাপে ফেলবে৷ যা বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুবিধাজনক অবস্থায় নিয়ে যাবে৷ জো বাইডেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার রক্ষার কথা বলেছেন৷ আর এর সাথে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কিত৷ মানবাধিকার আর গণতন্ত্রকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে দেখছেন৷ তবে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে আমেরিকার নতুন প্রশাসনের সম্পর্ক কী দাঁড়াবে তার অনেকটাই নির্ভর করবে চীনের সাথে জো বাইডেন কী ধরণের সম্পর্ক চান তার ওপর।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম গতকাল রোববার তাঁর দপ্তরে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই নির্বাচনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে কোনো পরিবর্তন হবে না। বরং আরও কিছু অভিন্ন ইস্যুতে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ হবে। নিকট অতীতে আমরা দেখেছি, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মুক্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র জোরালো ভূমিকা রেখেছে। এগুলো বাংলাদেশের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অ্যাজেন্ডা।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই বিষয়গুলোতে নতুন প্রশাসন আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করবে বলেই আশা করা যায়। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি ও ক্ষমতাধর রাষ্ট্র। আমরা চাইব, আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকুক।’