৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

0
526

৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

কোভিড-১৯ মহামারিতে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক চাপের মধ্যে থাকলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এর আগে গত ৪ জুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে ৩৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছিল।মহামারি পরিস্থিতিতেও স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো দেশে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

রপ্তানি আয় কমার পরও বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকের ঋণ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক(এডিবি), জাইকা ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ)কাছ থেকে ঋণ পাওয়া, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির মধ্যে বৈদেশিক বাণিজ্যের নিম্নগতি থাকলেও প্রবাসী আয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করছে রেমিটেন্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন রেমিটেন্স বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হচ্ছে সরকার বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহী করার জন্য দুই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। এতে হুন্ডিতে টাকা পাঠানো অনেকটা কমে গেছে।২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটেও বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠানোর জন্য ২ শতাংশ প্রণোদনা বহাল রেখেছে সরকার।বর্তমানে বিশ্বের ১৭৪টি দেশে ১ দশমিক শূন্য ২ কোটি বাংলাদেশি কাজ করছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৩৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারে বিলিয়ন ডলার হয়েছিল। করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেও  চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২২ জুন পর্যন্ত ১৭ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে আট শতাংশ বেশি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেমিটেন্স এসেছে ১৬ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার। জুনের প্রথম ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছর পুরো জুন মাসে ছিল ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার। আর চলতি অর্থবছরের ১১ মাস ২৩ দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৭ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার। এই সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮ দশমিক ২৭ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ থাকতে হয়। আমদানি ব্যয়ের সম্প্রতিক গতিধারা বিবেচনায় নিলে এই রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।