সাংহাই জ্যোতি বিজ্ঞান যাদুঘর

0
37

সাংহাই জ্যোতি বিজ্ঞান যাদুঘর

সাংহাই জ্যোতি বিজ্ঞান যাদুঘর একটি কৃত্রিম তারমন্ডল বা তরাগৃহ (প্ল্যানেটারিয়াম) যা ২০২১ সালে সাংহাইয়ে উদ্ভোদন করা হয়। এর গম্বুজ (মুণ্ডু )৩৮,০০০ বর্গ মিটার । এটি বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম তারমন্ডল ।যুক্তরাস্টের ডিজাইনার দ্বারা  এই কৃত্রিম তারমন্ডলটি দর্শকদের জন্য একটি শিক্ষামূলক এবং বিনোদনের জন্য তৈরী করা হয়। কোন সরল রেখা বা সমকোণ ছাড়াই, বিল্ডিংটি মহাবিশ্বের আকার, গতিবিধি এবং জ্যামিতি প্রতিফলিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।

ডিজাইনের পার্টনার, Thomas J Wong, ব্যাখ্যা করেছেন যে জাদুঘরের মৌলিক নকশার ধারণাটি ছিল “স্থাপত্যের মধ্যে বিমূর্তভাবে জ্যোতি র্পদার্থ বিদ্যার কিছু মৌলিক নিয়ম, যা মহাকাশের নিয়মকে প্রতিফলিত করা। “মানুষকে মহাবিশ্বের সাথে সংযুক্ত করা”এবং মানুষের কৌতূহল জাগ্রত করা। এটি বিশ্ববাসির জন্য মহাবিশ্বের একটি র্পূণাঙ্গ দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।

জাদুঘরটি মানুষকে মহাবিশ্বকে অনুভব করতে,  বুঝতে এবং ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে উৎহিত করবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। অনন্য স্থাপত্য নকশাটি অরবিটাল গতির একটি আনুষ্ঠানিক বিমূর্ততা থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যা শুধুমাত্র একটি জ্যোতি বিজ্ঞানের ধারণা উপস্থাপন করবে না, কিন্তু আক্ষরিক অর্থেই আকাশে সূর্যের গতিবিধি ট্র্যাক করে, পুরো বিল্ডিংটিকে একটি বিশাল জ্যোতির্বিদ্যার যন্ত্র তৈরি করবে যা সময়ের সাথে সাথে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন নিরক্ষরেখার চারপাশে, বিল্ডিংয়ের ছায়া মাটির চিহ্নগুলির সাথে ওভারল্যাপ করে, একটি সৌর শব্দ প্রতীক তৈরি করে। জাদুঘরটি তার সু-পরিকল্পিত পরিবেশ এবং বায়ুমণ্ডল, আলো এবং শব্দ প্রভাব এবং উচ্চ-স্তরের দৃশ্যের সিমুলেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে একটি মনমুগ্ধকর পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে । জাদুঘরটি দেখতে প্রায় চার ঘন্টা সময় লাগে এবং টিকিট ৭ দিন আগে বুক করতে হয়।